হলুদ সাংবাদিকতা রোধে…

শুক্রবার, ০৯/০১/২০১৫ @ ৪:৪৯ অপরাহ্ণ

:: কামরুজ্জামান ::

kamruzzamanসাংবাদিক কথাটির অর্থ ব্যাপক হলেও যে ব্যক্তি সংবাদ আদান প্রদান বা সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজীত তাকেই হয়ত সাংবাদিক বলা চলে। ন্যায় নিষ্ঠার মধ্যে থেকে সত্য এবং তথ্য নির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে জনগণকে কোন কিছু জাননোই সঠিক এবং স্বচ্ছ সাংবাদিকতা হলে এর ব্যতিক্রমকে হলুদ সাংবাদিকতা হয়ত বলা যায়।

হলুদ সাংবাদিকতার চেয়ে বর্ণিল সাংবাদিকের সংখ্যাই এখন বেশী। দেশের সরকার পরিবর্তন আর ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সাথে সাংবাদিকদের জার্সি পরিবর্তনকে কি হলুদ সাংবাদিকতা নাকি বর্ণিল সাংবাদিকতা বলা হবে?

একজন সাংবাদিক একত্রে অসংখ্য পত্রিকায় সংবাদ প্রেরক হওয়ার রহস্য ও আমার কাছে বর্নিল সাংবাদিকতা। আবার পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে যারা নিয়োজীত তারা কি কারনে বা কিসের মোহে এত অন্ধের মত ভুল করেন বুঝতে পারিনা। অন্য পত্রিকার প্রতিনিধিদের নাম দিয়ে নিজের পত্রিকায় সংবাদ ছেপে দিচ্ছেন অথচ খেয়ালই করছেন না কোন রকম বিপদ হলে নিজের লোভের বা ভুলের জন্য তার টিকিটিও ধরতে পারবেন না।

“চাঁদপুর জেলা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচীত কমিটিকে আমার পক্ষ হতে আন্তরিক অভিনন্দন”। গত ৮ জানুয়ারী বৃহষ্পতিবারের দৈনিক চাঁদপুর বার্তায় দেখলাম অনন্যা নাট্যগোষ্ঠি কর্তৃক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে নব নির্বাচিত কমিটিকে হলূদ সাংবাদিকতা রোধে দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তাহলে আগে যারা ছিল তাদের ভুমিকা কি ছিল অথবা চাঁদপুরে হলুদ সাংবাদিকতার মাত্র একটু বেশীই।

যাই হোক আমরা একবারে মফস্বলে যারা সাংবাদিক হিসেবে আছি তাদের একটাই দাবী আমাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করলে (সংবাদ) আমাদের প্রতি নজর দিন। আর কিছু না হলেও আমাদের জন্য মাঝে মধ্যে কর্মশালা বা প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করুন।

সর্বশেষ গত ৭ জানুয়ারীর জনাব তুষার আব্দুল্লাহ’র “সাংবাদিকতায় চৌদ্দ আনা বনাম দুই আনা” লেখাটির জন্য উনাকে ধন্যবাদ।

লেখক: সাংবাদিক, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।