কেরামত উল্লাহ বিপ্লব !

সোমবার, ১৮/০৩/২০১৩ @ ১১:৪৬ অপরাহ্ণ

তাওহীদ হাসান:

biplobকেরামত উল্লাহ বিপ্লব, বর্তমান টেলিভিশন সাংবাদিকতার আলোকবর্তীকা। টেলিভিশ্ন সাংবাদিকতায় শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত একটি নাম। আঁকাশ ছোঁয়া যার জনপ্রিয়তা, দেশে কিংবা হোক দেশের বাইরে বিশ্বের যেকোন প্রান্তে বাংলা ভাষাভাষী , বাঙ্গালী সেখানেই। দেশের বর্তমান টেলিভিশ্ন সাংবাদিকতা জগতে সবার শীর্ষে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। আজ থেকে প্রায় পাঁচ ‘ছ বছ্র আগে ২০০৫ সালের আগষ্ট মাসে চ্যানেল ওয়ান দিয়ে তাঁর টেলিভিশ্ন সাংবাদিকতার শুরু। কেরামত উল্লাহ বিপ্লবএরপর কেবলই সামনে এগিয়ে যাওয়া। বিচক্ষণতা, পরিশিলতা, মননশীলতা, বুদ্ধিমত্তা, বিবেকবোধ, অশেষ জ্ঞান, হৃদয় গ্রাহী কণ্ঠস্বর, স্বতন্ত্র রিপোর্ট ষ্টাইল ও আরো অনেক মানোবীয় গুন তাঁকে টেলিভিশ্ন সাংবাদিকতায় অল্পদিনেই শীর্ষে তুলে দেয়। এমনকি অমায়িক ব্যবহারের ভাগও ছাড়েননি অন্য কারো ঝুলিতে। চ্যানেল ওয়ানের বিশেষ প্রতিনিধি ছিলেন । বর্তমানে এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি ।
তাঁর তৈরী প্রতিবেদন বর্তমানে যেকারো প্রতিবেদনের চেয়ে সম্পুর্ন ভিন্ন। তাঁর প্রতিবেদনে প্রতি সেকেন্ডে ভিডিও চিত্রে বা কন্ঠে যে পরিমান তথ্য দিয়ে থাকেন তাতে দর্শক বাকরুদ্ধ অবস্থায় তা অবলোকন করতে বাধ্য হয়। তাঁর প্রতিবেদনে প্রতিটি সেগমেন্টে যে পরিমান টার্নোভার তাতে সাধারন মানুষ কেউ কোন্ দিন খুঁজেই পাননি কিভাবে তিনি প্রতিবেদন স্বতন্ত্র বানিয়ে ফেলেন। যারা টিভি প্রতিবেদন নিয়ে অনেক বিশ্লেষন চালাই তারাই খুব সামান্য পরিমান বড় আকারের পার্থক্য খুঁজে পাই। সম্ববত সর্বদীর্ঘ টিভি প্রতিবেদন প্রকাশের রেকর্ডটিও তাঁর। এছাড়া একই দিনে একাধিক বার একই প্রতিবেদকের খবর প্রকাশের তালিকয়ও তাঁর নাম রয়েছে।
বাংলাদেশের এই কৃতি সন্তানের জন্ম রংপুরের পীরগঞ্জে। তার জন্ম জুলাই মাসের ১৯ তারিখ। লেখা পড়া করেন পীরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। রংপুরের কার্মিচায়েল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ১৯৯৫ সালে কেরামত উল্লাহ বিপ্লবসম্মান ও ১৯৯৭ সালে মাষ্টর্স পাশ করেন। বৈবাহিক জীবনও তাকে কোনোদিন বিপজ্জনক প্রতিবেদন থেকে দূরে রাখতে পারেনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করা রীতিমতো তার বর্তমানে খেলায় পরিনত হয়েছে। আঁকাশ ছোঁয়া যার জনপ্রিয়তা, হাজারো ভক্তের মন ভেঙ্গে বারংবার ছুটেযান বিপদাশংকুল বন্ধুর পথে।তাঁর ব্যবহার সত্যিই অনুসরোনযোগ্য। তাঁর পথোরেখা ধরে হাটতে চাবেন অনেকেই। বহুদূর এগিয়ে যাক এই কৃতী। পথ ও নিদর্শন রেখে যাক টেলিভিশ্ন সাংবাদিকদের জন্য। সবাই তাঁর সুস্থ্য, সুখী, সুন্দর জীবন করুক।