শাহবাগে নতুন বার্তার ২ সাংবাদিক আটক

শুক্রবার, মার্চ ৮, ২০১৩

প্রেসবার্তাডটকম প্রতিবেদন:
nbশাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দুই সাংবাদিককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন অনলাইন পত্রিকা নতুন বার্তার স্টাফ রিপোর্টার কাজী মোস্তাফিজ ও এমদাদুল হক।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল অনুষদের ৭ম তলা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে বলে শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল জলিল সাংবাদিকদের জানান।
এদিকে নতুন বার্তা এ প্রসঙ্গে তার খবরে বলেছে:

শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের সংবাদ কাভার করতে যাওয়া নতুন বার্তা ডটকমের দুই রিপোর্টারকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদের আটক করা হয়। কী কারণে তাদের আটক করা হয়েছে সে ব্যাপারে পুলিশ কিছু বলছে না। ডিবি পুলিশ অফিসে নেয়ার পর স্টাফ রিপোর্টার ইমদাদুল হকের মোবাইল ফোনে নতুন বার্তার কথা হয়। তিনি বলেন, “পুলিশ আমাদের কোনোকিছুই বলছে না। এখনই আমাদের সেটটি নিয়ে নেয়া হবে।” এরপর দুই রিপোর্টারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার বিকেল চারটা ৫০ মিনিটে গণজাগরণ মঞ্চের কাছাকাছি দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর প্রত্যক্ষদর্শীরা বলতে থাকেন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল অনুষদের পাঁচতলা থেকে দুটি ককটেল ছুড়ে মারা হয়েছে। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা ওই ভবনের পাঁচতলায় ছুটে যায়। তাদের সঙ্গে নতুন বার্তা ডটকমের স্টাফ রিপোর্টার কাজী মুস্তাফিজ সেখানে যান। তিনি সেখান থেকে মোবাইল ফোনে নতুন বার্তা ডটকমের অফিসে নিউজ দিচ্ছিলেন। তার এবং ইমদাদুল হকের পাঠানো রিপোর্টটি নতুন বার্তা ডটকমে লিড নিউজ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচতলায় যারা গিয়েছিলেন, তাদের পুলিশ আটক করে। সাংবাদিক পরিচয় দেয়া এবং আইডি কার্ড দেখানোর পরও কাজী মুস্তাফিজকে বের হতে দেয়া হয়নি। পরে তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না।

পরে রাত সোয়া আটটার দিকে কাজী মুস্তাফিজকে খুঁজতে নতুন বার্তা ডটকমের আরেক স্টাফ রিপোর্টার ইমদাদুল হক বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচতলায় ওঠেন। পুলিশ তাকেও আটক করে।

এর পরপরই তাদের দুইজনকে ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে নতুন বার্তা ডটকমের পক্ষ থেকে ডিবির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে কেউ ফোন ধরেননি।