খাসখবর হবে অনলাইন সাংবাদিকতায় নয়া চমক

বুধবার, অক্টোবর ৯, ২০১৩

দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সম্রাটকে এক নামে চেনেন সবাই। বর্ণিল সাংবাদিকতার ক্যারিয়ারে তিনি অধুনালুপ্ত আজকের কাগজের ডেপুটি চিফ রিপোর্টার এবং আমাদের সময়ের প্রতিষ্ঠাকালীন চিফ রিপোর্টার ছিলেন। এছাড়াও তিনি মানবজমিন, যায়যায়দিন, বেঙ্মিকো মিডিয়া লিমিটেডের সাপ্তাহিক অন্বেষা, মিডিয়া সিন্ডিকেট ও বাংলার বাণীতে কাজ করেছেন। দেশের একমাত্র সংসদীয় জার্নাল ‘পার্লামেন্ট জার্নাল’এরও সম্পাদক বরেণ্য এই সাংবাদিক। এছাড়াও ভারত থেকে প্রকাশিত দৈনিক মিড ডে’র বাংলাদেশ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন আসাদুজ্জামান সম্রাট। সাংবাদিকতায় তিনি ইউনিসেফ এ্যাওয়ার্ডসহ অর্ধডজনেরও বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে থাকা দেশের প্রথম ও পূর্ণাঙ্গ মাল্টিমিডিয়া অনলাইন খাসখবর ডটকম-এর প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নিয়েছেন। বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি কথা বলেছেন গণমাধ্যমভিত্তিক বাংলায় প্রথম পোর্টাল প্রেসবার্তাডটকম এর সাথে।

kashkhabor:: সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্যে তুলে ধরা হলো ::

প্রেসবার্তাডটকম: আপনি দীর্ঘদিন যাবত প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত ছিলেন। সংসদ বিটে দায়িত্বপালন করাকালীন আপনার করা বেশ কিছু নিউজ আলোচিত হয়েছিল। অধুনালুপ্ত আজকের কাগজের ডেপুটি চিফ রিপোর্টার এবং আমাদের সময়ের প্রতিষ্ঠাকালীন চিফ রিপোর্টার ছিলেন। তো হঠাৎ করে প্রিন্ট মিডিয়া ছেড়ে অনলাইনে কেন আগ্রহী হলেন?

আসাদুজ্জামান সম্রাট: সাংবাদিকতার শুরু থেকেই নতুনের সঙ্গে আমি ছিলাম। আজকের কাগজ এদেশে প্রথাগত সাংবাদিকতার বাধটি ভেঙ্গে দিয়েছিল। নতুনধারা সাংবাদিকতার সূচনা মূলত আজকের কাগজ থেকেই। আজকের কাগজ ভেঙ্গে ভোরের কাগজ, ভোরের কাগজ ভেঙ্গে প্রথম আলো। এই যে পথ পরিক্রমা। এর পথিকৃৎ হচ্ছে আজকের কাগজ। অর্থাৎ আধুনিক সাংবাদিকতার সূচনা আজকের কাগজ থেকেই। ব্যক্তিগতভাবে আমি আজকের কাগজ ছাড়াও বেশ কয়েকটি দৈনিকে কাজ করেছি। কিন্তু মানুষ আমাকে আজকের কাগজের সম্রাট হিসেবেই বেশি চেনে। কারন জীবনের সবচে’ বেশি সময় আমি আজকের কাগজে কাটিয়েছি।

আমাদের সময় আধুনিক সাংবাদিকতার আরেকটি ধাপ। আমার সৌভাগ্য যে, আমি এর প্রতিষ্ঠাকালীণ চিফ রিপোর্টার ছিলাম। তিলে তিলে কাগজটি গড়ে তুলতে অবদান রেখেছি। কিন্তু আমাদের সময়ে থাকাকালেই ২০০৫ সালে আমার লন্ডন প্রবাসী এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডন ব্রডকাস্টিং করপোরেশন নিউজ (এলবিসি নিউজ) শুরু করি। কথা ছিল এটি বাংলা এবং ইংরেজী দু’ভাষাতেই লন্ডন এবং ঢাকা থেকে অপারেট হবে। ২০০৬ সালে লন্ডনের অফিস ম্যানেজমেন্টের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় এবং বাংলাদেশ থেকে বিজ্ঞাপন না পাওয়ায় তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৯ সালে এনা গ্রুপের সঙ্গে আমি আবারও অনলাইন পত্রিকা করার উদ্যোগ নেই। এনা প্রাইম নিউজ সার্ভিস যার সংক্ষিপ্ত নাম ছিল ইপিএনএস। এ্যালেক্সা কান্ট্রি র‌্যাংকিংয়ে যার অবস্থান ছিল ১৭। এনা গ্রুপ নর্দান পাওয়ার নামে একটি কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কোম্পানি শুরু করলে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক দৈন্যতায় পড়ে। সে সময়ে সরকার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখায় এনা প্রপার্টিজের ফ্ল্যাট ব্যবসা ভালো যাচ্ছিলো না। পরে সালমান এফ রহমানকে অর্ধেক শেয়ার ছেড়ে দিয়ে তারা নর্দান পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু করে। এটিও আর্থিক দৈন্যতার কারনে বন্ধ হয়ে যায়। পরে এনামুল হক সাহেব প্রতিষ্ঠানটি চালুর জন্য চেষ্টা করেছিল।

অনলাইন হচ্ছে থার্ড জেনারেশন জার্নালিজম। বিশ্বব্যাপী অনলাইনই হচ্ছে এখন প্রধান গণমাধ্যম। একবিংশ শতাব্দীতে কার হাতে সময় রয়েছে টিভি দেখা কিংবা পত্রিকা পড়া। আমরা এখন মোবাইলে মেইল চেক করি। ব্রেকিং নিউজ এলার্ট পাই কিংবা ব্রাউজ করে সংবাদ জেনে নেই। সারাবিশ্বে অনলাইন ইউজারের সংখ্যার দিকে তাকালেই এটা পরিস্কার হয়ে যাবে। বাংলাদেশের মতো প্রযুক্তিকে পিছিয়ে থাকা দেশেও অর্ধকোটি ফেসবুক ইউজার। অনলাইন মিডিয়া হচ্ছে সময়ের সঙ্গে যুদ্ধ করা। এর রিয়েল টাইম রিপোর্টিং আমাকে চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে। আর এর সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট ও রেসপন্স খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পাওয়া যায়।

ইতিমধ্যে বিশ্বের অনেক বড়ো দৈনিক ও সাময়িকী তাদের প্রিন্ট ভার্সন বন্ধ করে দিয়েছে।আমি বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিটা (যদিও বাংলাদেশে এ সম্ভাবনা আমার জীবদ্দশাতে নেই) কেনো নেবো?

প্রেসবার্তাডটকম: জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা বাংলামেইল২৪ডটকম আপনার হাতেই গড়া। এটা ছেড়ে নতুন আরেকটি অনলাইন পত্রিকা সৃষ্টি করছেন, কেমন লাগছে?

আসাদুজ্জামান সম্রাট : বাংলামেইল২৪ডটকম ছিল আমার স্বপ্ন। একটি ট্যাবলয়েড করার স্বপ্ন ছিল। সে স্বপ্ন আমি বাংলামেইল২৪ডটকম এ বাস্তবায়ন করেছি। যদিও বাংলামেইল নামে একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার ডিক্লারেশন এখনও আমার নামে রয়েছে। আমি সময় এবং সুযোগ মতো তা বৃহৎ আকারে প্রকাশ করবো। বাংলামেইল২৪ডটকম-এ আমি দেখিয়েছি কিভাবে প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা আলাদা অনলাইন করা যায়। মালিক পক্ষ থেকে যথাযথ রেসপন্স পেলে আমি প্রতিটি জেলা থেকেই বিজ্ঞাপন আনতে পারতাম। যেটা আমার পক্ষেই সম্ভব ছিল। কিন্তু শুধুমাত্র এক/দেড় লাখ টাকা বেতনের জন্য আমি সেটি করিনি। আমার সঙ্গে মালিকানা শেয়ারের কথা ছিল। যা আমাকে দেয়া হয়নি। আর এ কারনে প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃত ব্যায়েটির ১০ শতাংশও আয় করতে পারছে না। আমি বাংলামেইল ছাড়ার দীর্ঘদিন পরেও তারা কোন পেশাদার সম্পাদক পায়নি। কারণ গার্মেন্টস কর্মীদের মতো সকাল ৯টায় কোন সম্পাদক বায়োমেট্রিক এ্যাটেন্ডেন্স (টিপ সই) দিতে যাবে না। মার্কেটিং পর্যায়ে তারা এখনও আমার নামেই চলছে।

আপনি আমার ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে দেখবেন কোন কিছু গড়ার পেছনে আমি আছি সব সময়। ঢাকায় আমি নিউজ এজেন্সিতে কাজ করেছি। ভিন্নধারার সাপ্তাহিক পত্রিকা করেছি। নতুন দৈনিকগুলোর মধ্যে যায়যায়দিন প্রতিদিন কিংবা প্রয়াত প্রধান কবি শামসুর রাহমানের সঙ্গে দৈনিক মাতৃভুমির প্রতিষ্ঠাকালীণ কাজ করেছি। আমাদের সময়ের প্রতিষ্ঠাকালীণ চিফ রিপোর্টার ছাড়াও সফল-ব্যর্থ অনেক নতুন উদ্যোগের সঙ্গেই আমি ছিলাম, আছি এবং থাকবো।

বাংলামেইল২৪ডটকম আমার সৃষ্টির একটি। একটি জায়গায় থেমে যাওয়ার মানুষ আমি নই। নতুন সৃষ্টি আমাকে সব সময়ই টানে। আশা করছি, খাসখবর হবে দেশের অনলাইন সাংবাদিকতায় নয়া চমক। আমরা ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামগুলোও সেভাবে সাজাচ্ছি।

প্রেসবার্তাডটকম : দেশের প্রথম ও পূর্ণাঙ্গ মাল্টিমিডিয়া অনলাইন হিসেবে যাত্রা শুরু করছে খাসখবর। বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য এটি হবে একটি নতুন অভিজ্ঞতা। এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চাই।

আসাদুজ্জামান সম্রাট : বাংলাদেশে অনলাইন সংবাদপত্রের জনক হয়তো আমি নই। (আলমগীর হোসেন অনলাইন সংবাদপত্রের জনক)। কিন্তু অনলাইনে নতুনধারার সংযোজন আমি করেছি। বাংলামেইল২৪ডটকম-এ আমি অনেক নতুন কিছু দেখিয়েছি। আমার এবারের উদ্যোগটি মূলত: থ্রিজিকে টার্গেট করে। মাত্র ২৫৬ কেবিপিএস ইন্টারনেট স্পিড থাকলেই আপনি খাসখবর থেকে লাইভ টেলিভিশন দেখতে পাবেন। অডিও নিউজ, ভিডিও নিউজ আর অনলাইন রেডিও উপভোগ করতে পারবেন। এর সঙ্গে সংবাদ তো আছেই। অর্থাৎ আপনি এতে একের ভেতরে চার পাবেন। বিদেশে আমাদের বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী রয়েছেন। তারা সব সময় বাংলাদেশের খবর জানতে চান। খাসখবরে সে টেক্সট নিউজের বাইরে অডিও ও ভিডিও নিউজ পাবেন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় অডিও নিউজ আপডেট হবে। আমার জন্য সুসংবাদ হচ্ছে, থ্রিজির নিলাম হয়ে গেছে। মোবাইল অপারেটরগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। কেউ কেউ ৩.৫জি কিংবা ৩.৯জি দেয়ার কথা বলছে। এগুলো আমার কাজের জন্য সহায়ক হবে।

প্রেসবার্তাডটকম : সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নির্মাণের কাজটি এখন কোন পর্যায়ে? মানে শেষ পর্যায়ে কিনা জানতে চাচ্ছি?

আসাদুজ্জামান সম্রাট : এটি মূলত: ভারতের চেন্নাইয়ে নির্মাণ হচ্ছে। বাংলাদেশের একটি সফটওয়্যার কোম্পানি মূলত: এটি কমিউনিকেট করছে। এই কোম্পানিটির কর্ণধার বাংলাদেশে ই-পেপারের জনক। আশা করছি, নভেম্বর নাগাদ এটি পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে যে সাইটটি আপনারা দেখছেন, এটি আমাদের দেশেই তৈরি। অরেঞ্জবিডি এটি নির্মাণ করেছে। এ ক্ষেত্রেও আমি পরিচ্ছন্নতার দিকে বেশি দৃষ্টি দিয়েছি। বাংলামেইলে আম রঙের দিকে বেশি দৃষ্টি দিয়েছিলাম।

khaskhaborপ্রেসবার্তাডটকম : আমরা জেনেছি খাসখবরের জন্য মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওসহ এডিটিং প্যানেল ও ট্রান্সমিশনের সর্বাধুনিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া বসানো হচ্ছে নিজস্ব স্ট্রিমিং সার্ভার। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও অনুষ্ঠান লাইভ কভারেজের আওতায় আনা যাবে। এছাড়া আর কী কী সুবিধা পাঠক পাবে?

আসাদুজ্জামান সম্রাট : সব কথা পাঠকদের জানালে আর নতুনত্ব কিছু থাকবে না। আমি পাঠকদের এটুকু বলতে চাই, বস্তুনিষ্ট সাংবাদিকতায় গত দু’যুগে আপস করিনি। ভবিষ্যতেও করবো না। কোন বিকৃত তথ্য, অতিরঞ্জিত সংবাদ কিংবা বিজ্ঞাপনের জন্য ব্ল্যকমেইলিং নিউজ আমার পোর্টালে স্থান পায়নি কোনদিন পাবে না। আমার উপর আপনাদের যে আস্থা রয়েছে আমি তার প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করবো। আর খাসখবরে পাঠকরা কী পাবেন সেটি আপাতত: সারপ্রাইজের জন্যই থাক।

প্রেসবার্তাডটকম : খাসখবরে প্রকাশিত একটি লেখাযে আপনি উল্লেখ করেছিলেন যে, কমপক্ষে ৪০০ উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। দেশের ৬৪টি জেলা, ৪০০ উপজেলা, ঢাকায় ১০৫ জনের বিশাল টিমসহ প্রায় ৬০০সদস্যের টিম নিয়ে খাসখবর যাত্রা শুরু করবে। তা নিয়োগ প্রক্রিয়াটা কী এখন শেষ পর্যায়ে?

আসাদুজ্জামান সম্রাট : নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। বিশেষ করে ঢাকায়। আমরা চাচ্ছি টিভি রিলেটেড ওয়ার্ক করতে। সে ক্ষেত্রে যোগ্য লোক পাচ্ছি না আমাদের বাজেটের ভেতরে। ঢাকার বাইরে সংবাদদাতা নিয়োগ বোধহয় সবচে’ কঠিন কাজ। একটি জেলা থেকে ৬/৭জন আবেদন করছে। নিউজ পাঠাচ্ছে। বাংলামেইল থেকে আসার চেষ্টা করছে, আমি ইচ্ছে করেই ডিসকারেজ করছি। কারণ ১ বছরের বেশি সময় ধরে তাদের কোনও টাকা পয়সা দিতে পারিনি। এমনিতেই তারা ক্লান্ত। দু’টি টিভি স্টেশন একটি পত্রিকা বন্ধ। সেখানকার সাংবাদিকরা যোগাযোগ করছেন।জেলাগুলোতে ফাইনাল করেছি। কোন কোন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ পাওয়ার পরে স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে। অনলাইন মিডিয়ায় রিপোর্ট করিয়েছে। উপজেলা গতকাল পর্যন্ত ২৭৩টি কাভার করা গেছে।

প্রেসবার্তাডটকম : আমরা জেনেছি আপনার পত্রিকায় ইতিমধ্যে নির্বাহী সম্পাদক পদে যোগ দিয়েছেন দৈনিক বর্তমানের সিটি এডিটর শাহীন চৌধুরী, কনসাল্টিং এডিটর পদে যোগ দিয়েছেন বাসসের সাবেক চিফ রিপোর্টার খায়রুল আলম বকুল, সিটি এডিটর পদে যোগ দিয়েছেন দৈনিক ইনকিলাবের সাবেক চিফ রিপোর্টার আব্দুল গাফ্ফার মাহমুদ, কান্ট্রি এডিটর পদে আল ফারুক আযম। এ তালিকার বাইরে আর কেউ থাকলে জানাতে পারেন।

আসাদুজ্জামান সম্রাট : আজকের কাগজের সিনিয়র রিপোর্টার আজাদ হোসেন সুমন, নতুন বার্তার সুমন পাইক, বাসসের সাবেক চিফ ফটোগ্রাফার আসাদুজ্জামান আসাদ, বাংলানিউজের ৪জনসহ অন্য দৈনিকের আরও ২৫/২৫জন যোগ দিয়েছেন।

প্রেসবার্তাডটকম : খাসখবরের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান কখন এবং কোথায় হবে?

আসাদুজ্জামান সম্রাট : আমরা চেয়েছি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে উদ্ভোধন করবো। আবার যে জায়গা থেকে ঘোষিত হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণা সেই সোহরাওয়ার্দী ‍উদ্যানের শিখা চিরন্তন থেকে উদ্বোধনী ঘোষণা করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সাইট নির্মাণ সম্পন্ন না হওয়ায় পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। আপাতত: নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহকে টার্গেট করেছি।

প্রেসবার্তাডটকম : উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে একটি স্মরণিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। দেশবরেণ্য লেখক এবং খাসখবরের পাঠকদের লেখায় নিশ্চয়ই সমৃদ্ধ হবে স্মরণিকাটি। এ সম্পর্কে কিছু বলুন।

আসাদুজ্জামান সম্রাট : লেখা পেয়েছি প্রচুর। কিছু সংকলিত লেখা রয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আমরা লেখা ও বিজ্ঞাপন নেবো। আশার কথা হচ্ছে, ঢাকার বাইরে থেকেই এ পর্যন্ত ২৭ লাখ টাকার বিজ্ঞাপন এসেছে।

প্রেসবার্তাডটকম : প্রেসবার্তার পক্ষ থেকে খাসখবর ডটকম টীমের সাফল্য কামনা করছি। সময় দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আসাদুজ্জামান সম্রাট : প্রেসবার্তা টীম এবং পাঠকদেরকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।