‘সত্যকে বিকৃত করেছে ডেইলি স্টার’

বুধবার, ২১/০৮/২০১৩ @ ১১:২১ অপরাহ্ণ

:: প্রেসবার্তাডটকম ডেস্ক ::

daily star logo1(২১ আগস্ট ২০১৩)- আগামী নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ‘আবার’ তথ্যের বিকৃতি ঘটিয়েছে বলে দাবি করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

গত রোববার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের ভোট নিয়ে সংবিধান সংশোধন করেছি। যা হবে সংবিধান মোতাবেক হবে। এক চুলও নড়া হবে না।”

মঙ্গলবার ডেইলি স্টারের সম্পাদকীয়তে বলা হয়, শেখ হাসিনা নিজের ইচ্ছা পূরণে সংবিধানে সংশোধন এনেছেন এবং তড়িঘড়ি করে সারা এই প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল তো দূরের কথা নিজের রাজনৈতিক মিত্রদেরও সম্পৃক্ত করেননি।

এর প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলছে, “এই সম্পাদকীয়ের বক্তব্য ভিত্তিহীন ও অলীক। এটা সত্যকে বিকৃতির জাজ্জ্বল্যমান নজির।”

বাস্তবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধন যথেষ্ট সময় নিয়ে করা হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালতের রায়ের পর কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংবিধানে সংশোধন আনা হয়, তার বিস্তারিতও তুলে ধরা হয় বিবৃতিতে।

সেই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় সুযোগ থাকার সত্ত্বেও বিএনপির অংশগ্রহণ না করার কথাও তুলে ধরেন প্রেসসচিব।

“ডেইলি স্টার হয়তো জেনেও না জানার ভান করছে এবং তা করছে সরকারের আন্তরিকভাবে করা একটি কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্য থেকে।”

রোববার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর একটি কথা নিয়ে ডেইলি স্টার সম্পাদকের একটি লেখায়ও সত্যকে বিকৃত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডেইলি স্টারের সাংবাদিকের একটি প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আমি যতই বলি, ডেইলি স্টারে এটা বিকৃতভাবে লেখা হবে।”

এর মধ্য দিয়ে ডেইলি স্টারকে আক্রমণ করা হয়েছে বলে এর সম্পাদক লিখেছেন। সাংবাদিকতার সব রীতি-নীতি ডেইলি স্টার মেনে চলে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, যে কোনো সংবাদপত্রের পাঠকের প্রত্যাশা থাকে, তার পঠিত সংবাদপত্রটি সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা মেনে চলবে।

“কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ডেইলি স্টারের ক্ষেত্রে মাঝে-মধ্যেই এর ব্যত্যয় ঘটে।”

প্রধানমন্ত্রী কিংবা বর্তমান সরকার কেউই গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করেন না উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

“কিন্তু পরিতাপের বিষয়, গণমাধ্যমের একটি অংশ চিন্তার সীমাবদ্ধতা থেকে সরকারের আন্তরিক সব প্রচেষ্টাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে না।”