এই সময়ের সাংবাদিকতা : প্রেক্ষাপট কক্সবাজার

বুধবার, আগস্ট ১৪, ২০১৩

আনছার হোসেন ::

yellow jounnalismমাত্র দুইদিন আগে সোমবার দুপুরের দিকে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের একটি বৈঠক চলছিল। মূলতঃ সাংবাদিকদের আবাসন প্রকল্প নিয়েই এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু আলোচনার শুরু আর শেষটা জুড়ে ছিল পাহাড় কাটা আর না কাটা প্রসঙ্গ।

‘সাংবাদিকরা পাহাড় কাটলে কোন দোষ হবে না, কেবল অন্যরা কাটলেই দোষ’ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই আমাদের হোছাইন ভাই (মোহাম্মদ হোছাইন, দৈনিক আপন কণ্ঠের প্রকাশক) বললেন, ‘পিপড়াঁরও একটা জাত আছে, কিন্তু সাংবাদিকদের কোন জাত নেই’। সাংবাদিকদের নৈতিকতা নিয়ে তার এই কথাটা শুনতে খারাপ লাগলেও আমার বেশ ভালোই লেগেছে।

এবার আসি, কেন হোসাইন ভাই’র কথাটি ভালো লাগলো এই প্রসঙ্গে! আমার জানা মতে কক্সবাজারের মতো একটি শহর থেকে এখন ১৭টি দৈনিক পত্রিকা বের হয় (এই সংখ্যা কমবেশীও হতে পারে, সংখ্যা হয়তো আরও কয়েকটি বেশি! পাইপ লাইনেও কয়েকটি পত্রিকা আছে বলে শুনেছি)। এই পত্রিকাগুলোর সুবাদে এমন কিছু মানুষ এই লাইনে (সাংবাদিকতায়) পা রেখেছেন। অথচ তারা কখনোই এই পথে আসার কথা নয়।

যে লোকটি সন্ধ্যাকালে পকেটমারের টাকা ভাগ করার দায়িত্ব পালন করতো, সেও এখন একটি টেলিভিশনের সাংবাদিক! যে লোকটি দিন-রাত থানায় দালালি করে বেড়াত, থানার কর্তাবাবুদের ফুটফরমাশ খাটত, এছাড়া পত্রিকার ছাপানো হরফের একটিও পড়তে পারেন না এমন ব্যক্তিও স্থানীয় একটি দৈনিকের সংবাদকর্মী! এলাকায় চুরি কিংবা অন্য কোন অপরাধে এলাকাছাড়া হয়ে শহরে আসা কতেক ব্যক্তিও নিজেদের সাংবাদিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে প্রাণান্ত চেষ্টায় আছেন!

যে ছেলেটি ইসলামি আন্দোলন করতো বলে আমরা জানতাম, সেই ছেলেটিও যখন এই লাইনে পা রাখলো, তখন শুনলাম সে যে প্রতিষ্টানে কর্মরত সেই প্রতিষ্টানের মালিকের ভাড়াটিয়াকে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়ের জন্য ঘরের দরজার বাইরে থেকে তালা মেরে বন্দি করে রেখে টাকা আদায় করেছে! কী অদ্ভুত, নিজে পাহাড় কেটে নিজের থাকার ঘর তৈরি করলেও অন্য কেউ টিলা কেটে মাটি সরাতে গেলে সেখানে ‘পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে’ বলে বাধা সৃষ্টি করছে! আবার ‘দাবি’ পূরণ করলে কিন্তু সবই জায়েজ!

সম্পাদকদের কথা যদি বলি, আমি গুণে গুণে দেখাতে পারবো, জীবনে এক মিনিটের জন্য সাংবাদিকতা না করেও যারা সম্পাদক বনে গেছেন। তাও না হয় হলো! এমন সম্পাদকও রয়েছেন, তাঁর পত্রিকাটি কিভাবে প্রকাশ হয়ে বাজারে যাচ্ছে তাও তিনি বলতে পারবেন না! জেলা প্রশাসনও কিভাবে এসব পত্রিকার ডিক্লারেশন দিয়েছে, আমার বোধগম্য নয়।

বেশ কিছুদিন আগে নিজেকে ‘বিশিষ্ট’ দাবিকারী একজন ‘সিনিয়র’ সাংবাদিক লিখেছিলেন, ‘দৈনিক সৈকতের সম্পাদক মাহবুবর রহমান প্রফেশনাল সম্পাদক নন।’ অথচ এই ব্যক্তিটিই এখন থেকে দুই যুগ আগে জেলার প্রথম নিয়মিত দৈনিক হিসেবে ‘দৈনিক সৈকতে’র প্রকাশনা শুরু করেছিলেন। সেই থেকে এখনো কার্যকরভাবেই তাঁর পত্রিকাটির প্রকাশনা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র নিজের মতাদর্শের সাথে বিরোধ থাকায় ওই ‘বিশিষ্ট’ সাংবাদিক মাহবুবর রহমানকে ‘প্রফেশনাল’ নয় বলে প্রচারণার অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। অথচ ‘এক মিনিটও সাংবাদিকতায় না থাকা ব্যক্তিরা সম্পাদক বনে গেলেও, নিজের গাড়িতে ‘প্রেস’ লাগিয়ে চললেও ওই ‘বিশিষ্ট’ সাংবাদিকদের নজরে আসে না, ‘ওরা’ কেবল নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শের সাথে মিল থাকার কারণেই!

এখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে, এমন সাংবাদিক ও সম্পাদকদের কাছ থেকে সাধারণ পাঠক কী আশা করতে পারেন। যারা সাংবাদিকতার ‘ষড় ক’ জানেন না, তারা জাতিকে কী জানাবেন! তাই তো ঘটনা যা হবার তাই হচ্ছে! একটা সময় সাংবাদিক বললেই মানুষের অন্তর থেকে শ্রদ্ধার ফুলঝুড়ি পড়তো, সেই সাংবাদিকদের নাম শুনলেই এখন জিহ্বা কামড়ে ধরেন সাধারণ মানুষ।

এবার নীতি ও নৈতিকতার কথায় আসা যাক। আমি মনে করি, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্টানের দূর্নীতির একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে গেলাম। আমি ইনিয়ে বিনিয়ে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্টানের দূর্নীতির কথা পত্রিকার কালো অক্ষরে তুলে ধরলাম। কিন্তু আমি নিজে যদি নৈতিকভাবে পোক্ত না হয়, তাহলে কিভাবে আরেকজনের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবো।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে সাংবাদিকতা করতে গিয়ে দেখতে পেয়েছি, জেলায় নতুন পত্রিকার সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ার সুযোগে এমন কিছু মানুষ এই পেশায় নিজেদের জড়িয়েছেন, যাদের অনেকেই নৈতিকভাবে নীতিহীন ও আদর্শহীন। এমনও দেখেছি, যারা কথায় কথায় নৈতিকতার কথা বলেন, কিন্তু নিউজের বেলায় কাজটা করেন অনৈতিক! শুধু নবাগতদের মধ্যে নয়, পুরনোদের মধ্যেও, যারা নিজেদের সিনিয়র দাবি করেন, এমন সাংবাদিকদের মধ্যেও নীতিহীন মানুষ রয়েছেন। শুধুমাত্র নীতিহীনতা ও আদর্শহীনতার কারণেই ওই সকল সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে বহু যুবক অপরাধী না হয়েও সমাজে পরিচিতি পেয়েছেন ‘খারাপ’ মানুষ হিসেবে।

আমি সাংবাদিকতায় পা রাখি ১৯৯২ সালে। তখনও আমি হাই স্কুলের ছাত্র। শখের বশে, নিজের নাম ছাপার অক্ষরে দেখার খায়েশে এই লাইনে এসেছিলাম। আসার আগে মনে করেছিলাম, সমাজের জন্য কিছু করতে হলে মিডিয়ার মাধ্যমেই করতে হবে! কিন্তু হায়! এসে দেখি অন্যথা! যেখানে সমাজের রাষ্ট্রের নেতিবাচক কর্মকান্ড গুলোর বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীদের কাজ করার কথা, সেখানে তারাই দেখছি শুধুমাত্র ‘নিজেদের ফায়দা’ লুটতেই ব্যস্ত। সাংবাদিকতাটাও সেই ফায়দা লুটার জন্যই!

আর আমাদের দেশের অধিকাংশ আমলাই দূর্নীতিগ্রস্থ বলেই তারা সাংবাদিকদের সমীহ করেন, শ্রদ্ধায় নয় ভয়ে! অনৈতিক সুবিধাটা তারা দেন বলেই নীতিহীন মানুষগুলোও মিডিয়ার এই লাইনে আসার সাহস পেয়ে যান।

সংবাদপত্রকে ‘সমাজের দর্পণ’ বলা হয়। এই কথাটি প্রথম যিনি বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আমার হাজারটা নালিশ আছে। আপনারা দেখবেন, আয়নায় যখন আপনার নিজের চেহারা দেখেন তখন আপনার চেহারাটা হুবুহু দেখেন না, দেখেন উল্টো! দর্পণ মানেই আয়না। আয়নায় যদি উল্টো দেখা যায়, সংবাদপত্র যদি আয়না হয়, তাহলে তো সংবাদপত্র সমাজের উল্টোটাই তুলে ধরছে।

সংবাদপত্র একটা সময় হয়তো সমাজের সঠিক চিত্রই তুলে ধরতো। নানা অসংগতি তুলে ধরে সঠিক পথটা বাতলে দিতো। এখন আর সেই সময় নেই। পত্রিকার পাতায় এখন সমাজের উল্টোটাই দেখছি! ঘটনা যা ঘটেছে তা যদি প্রকাশিত না হয়ে বরং সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা প্রকাশিত হয়, তাহলে তো ‘উল্টোই’ বলতে হয়।

আমার এক সময়ের সহকর্মী ফারুক (ইমরান ফারুক অনিক, বর্তমানে দৈনিক সাগর দেশ পত্রিকার কম্পিউটার প্রধান) দুয়েক বছর আগে একটি ঘটনা বলেছিল। শহরেরই একটি বহুল প্রচারিত পত্রিকার একজন সাংবাদিকদের নাম (যিনি শহরেরই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্টান থেকে অর্থ আত্মসাতের দায়ে চাকুরি খুইয়ে সাংবাদিক হয়েছেন) বলে জানিয়েছিল, ঈদের দুয়েকদিন আগে তারই এলাকায় (ফারুকের এলাকা পাহাড়তলিতে) একজনের বসতবাড়ির কাছে পাহাড় কাটার ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়েছিলেন ওই সাংবাদিক! ফারুকও ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিল। কিন্তু পরদিন ফারুক ওই সাংবাদিকের পত্রিকায় দেখলো, যে ব্যক্তিটি পাহাড় কাটার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাকেই বানানো হয়েছে পাহাড় কর্তনকারি, আর যে ব্যক্তি পাহাড় কেটে ওই ব্যক্তি ভিটায় ফেলেছিল সে-ই হয়ে গেছেন ‘ক্ষতিগ্রস্থ’! কারণ একটাই, ‘চাহিদা’ পূরণ করতে না পারায় ‘ক্ষতিগ্রস্থ’ ব্যক্তি হয়ে গেছেন ‘পাহাড় কর্তনকারি’।
ফারুক ছিল সেই সময় দৈনিক বাঁকখালীর কম্পিউটার অপারেটর। সে যখন ওই সাংবাদিকের নৈতিকতা নিয়ে আমার কাছে প্রশ্ন তুললো, আমি লজ্জায় নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। এছাড়া তো আমার কিছুই করার ছিল না।

কক্সবাজারের সাংবাদিকতা জগতে সর্বশেষ দু’টি বিষয় খুব আলোচিত হচ্ছে, ‘ওরা তিনজন’ ও ‘লাতুচোরা’র গল্প। অল্প কয়েকদিন আগে একটি স্থানীয় পত্রিকায় সিঙ্গেল কলামে একটি নিউজ দেখলাম, শিরোনাম ‘ওরা তিনজন’। নিউজটা পড়ে তিনজনের পরিচয় সম্পর্কে কিছুই বুঝতে পারলাম না। নিউজটির প্রতিবেদক ওই তিনজনের পরিচয় সম্পর্কে কোন হিন্টসও দেননি। নিউজটির থিমটি অনেকটা এরকম, ওরা তিনজন, মাঝে মাঝে দুইজন। একটি মোটর সাইকেলে ঘুরে বেড়ান। নিজেদের বিভিন্ন সময় সাংবাদিকতার বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও বেসরকারি ব্যক্তি বিশেষকে হুমকি-ধমকি দিয়ে বেড়ান। হুমকি-ধমকিকে কখনো সুবিধা হয়, কখনো হয় না। তাদের ‘অত্যাচারে’ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অতিষ্ট। ‘সাংবাদিক!’ বলে কিছু বলতেও পারেন না!

নিউজ পড়ে ‘ওরা তিনজন’র পরিচয় জানতে না পারলেও চ্যানেল আইয়ের ক্যামেরাপার্সন আলম তাদের পরিচয় নিশ্চিত করল আমাকে। তিনজনের মধ্যে দুইজন আপন সহোদর। এক মোটর সাইকেলেই তারা তিনজন চড়ে ‘বাণিজ্যে’ যায়। এদের মধ্যে দুইজনকে আমি খুব ভালো ভাবেই চিনি। আর একজনের সাথে কখনোই আমার দেখা হয়নি। আলম তাদের পরিচয় জানিয়ে এটাও নিশ্চিত করলো যে, ওদের যদি কখনো পাহাড়তলি রোডে পাওয়া যায় তাহলে পিঠের আস্ত রাখবে না! ইদানিং আমিও ‘ওরা তিনজন’র দুইজনকে বহুবার একসাথে মোটর সাইকেলে দেখেছি। তারা কী করে তাও আমি নিশ্চিত!

এবার আরেকজনের গল্প। ‘লাতুচোরা’! কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকায় ওই সাংবাদিককে এই নামেই পরিচিত করা হয়েছে। এই ‘লাতুচোরা’ও যখন লিখেন তখন মনে হবে তার মতো নীতিবান, আদর্শবান এই মিডিয়া জগতে নাই। কিন্তু তার গল্পও সবার জানা। মুখে আদর্শের কথা, কাজের বেলায় লুটালুটি!

আমার যন্ত্রণাটা এখানেই যে, যারা সমাজকে কলুষমুক্ত করার কথা, তারাই যদি কলুষিত হয় তাহলে জাতি কোথায় যাবে।

মিডিয়ার এই পরিণতির জন্য অনেককেই দায়ী করা যায়। নাম না বললেও সিনিয়র সাংবাদিকদের তো অবশ্যই তার দায় নিতে হবে। তাঁরা চাইলে শুরুতেই সংবাদকর্মীদের মধ্যে যারা ‘আগাছা’ জাতীয় তাদের ছেঁটে ফেলতে পারতেন। তাঁরা তা করেননি। আর করেননি বলেই, অনেক জুনিয়রের কাছে সিনিয়রদের নাজেহাল হতে হয়েছে!

আবার হোছাইন ভাই’র কথায় ফিরে আসি। তিনি সাংবাদিকদের ওই বৈঠকে আরেকটি ভালো কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘লোকাল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদকরা বসবেন। বসে ঠিক করবেন, কিভাবে অপসাংবাদিকতাটা রুখা যায়। আর যারা মনে করছেন, আমরা তো ঢাকার পত্রিকায় কাজ করি, আমাদের কিভাবে বাধা দেবেন। তাদেরও বলছি, প্রয়োজনে রেজুলেশন করে ঢাকায় পত্রিকা সম্পাদকের কাছে পাঠানো হবে।’

তিনি ও তাঁর মতো সিনিয়ররা যদি এটা করতে পারতেন, তাহলে কক্সবাজারের মিডিয়া জগতের জন্য কতই না ভালো হতো। কিন্তু গুটিকয়েক অসৎ সংবাদকর্মীর ‘উত্থানে’র জন্য তিনিও কম দায়ী নন। তিনি একটি পত্রিকা বের করেন, তার ব্যবস্থাপনা অন্যদের হাতে তুলে দেন। আর এই ব্যবস্থাপনা তুলে দিতে গিয়ে তিনি কখনোই দেখেননি যে, কারা তার পত্রিকায় কাজ করছেন। শুধু তাঁর পত্রিকা নয়, কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত অনেক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকই জানেন না তাদের পত্রিকার কর্মীটি আসলে কে?

আমি অবশ্য প্রত্যাশায় আছি, অচিরেই হয়তো কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত মিডিয়াগুলো ‘রাহুমুক্ত’ হবে। হয়তো আমাদের সিনিয়ররাই উদ্যোগ নেবে ‘আগাছা’ পরিস্কারে। তাঁরা যদি উদ্যোগী না হন, আমি এই ভেবে শংকিত যে, তাঁরাই গজিয়ে উঠাদের হাতে লাঞ্চিত হবেন! কক্সবাজারবাসী নিশ্চয় সে ধরণের কিছু আশা করে না।

পূনশ্চঃ এই লেখাটি পড়ে আমার সহকর্মীদের মধ্যে অনেকের মনে আঘাত লাগতে পারে। ক্ষুব্ধও হতে পারেন কেউ কেউ। কিন্তু সত্যটা বলার চেষ্টা করেছি। সত্য বলাতে কেউ দুঃখ পেলে আমার কিছু করার নেই।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক ও বার্তা প্রধান, দৈনিক সৈকত
এবং কক্সবাজার প্রতিনিধি, দৈনিক আমার দেশ।