বাংলাদেশের সাংবাদিকতা দারুণ সময় পার করছে

শনিবার, আগস্ট ১৭, ২০১৩

:: প্রেসবার্তাডটকম ডেস্ক ::

(১৭ আগস্ট ২০১৩)-dr joo fut

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : শেখ রোকন
অধ্যাপক ড. জো ফুট

প্রশ্ন: আমরা জানি আপনি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেছেন। এর আগেও আপনি বাংলাদেশে গিয়েছেন। এসব সফর সম্পর্কে আমাদের বলুন।

উত্তর: আমি প্রথমবার বাংলাদেশ গিয়েছিলাম অনেক আগে, ১৯৮৫ সালে। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগে ফুলব্রাইট অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছি। দ্বিতীয়বার আমি ১৯৯২ সালে আরেকবার যাই বাংলাদেশে। সেবারও ফুলব্রাইট অধ্যাপক হিসেবে আমার প্রকল্পের কাজে যাই। সেবার আমি নিমকোতে (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মাস কমিউনিকেশন) কাজ করি এবং ঢাকার বাইরে আরও কয়েকটি শহর সফর করি। সর্বশেষ এ বছর, জানুয়ারি ২০১৩-তে আমি ঢাকায় গিয়েছি। এবারের উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের একটি প্রকল্পের কাজ দেখা।

প্রশ্ন:এই তিন দফা সফরের সময় বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে আপনি কী ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন?

উত্তর: আমি ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি। আশির দশকে আমি যখন সেখানে ছিলাম, তখন কেবল একটি মাত্র টেলিভিশন চ্যানেল ছিল। সেটাও রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত। সেটা ছিল খুবই স্থবির প্রকৃতির ব্রডকাস্ট সাংবাদিকতা। সেখানে পরিবর্তনের জন্য প্রকৃত চাহিদাও ছিল না।

কারণ ওই চ্যানেলটিকে তখনও প্রতিযোগিতায় পড়তে হয়নি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বেতার স্টেশনের অবস্থাও টেলিভিশনের মতো ছিল। সেটা অবশ্য সংবাদমাধ্যমের বদলে বিনোদন ও জনপ্রচার সম্পর্কিত মাধ্যম হিসেবেই বেশি ব্যবহার হতো। বরং মুদ্রণ সংবাদমাধ্যম তখন অনেক বেশি শক্তিশালী, প্রাণবন্ত ছিল। সংবাদপত্রগুলোর মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা ছিল। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদপত্রও ছিল; কিন্তু সেটাকেও আর দশটা বেসরকারি মালিকানাধীন সংবাদপত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে হচ্ছিল। কিন্তু তারপরও সেগুলোকে শীর্ষস্থানীয় বলা যেত না। কারণ বিশ্বাসযোগ্যতার দিক থেকে তারা সাধারণ পাঠকের কাছে পরীক্ষিত ছিল না। তখন যে দুটি সংবাদপত্র শীর্ষস্থানে ছিল তার মধ্যে বাংলাটির নাম ‘ইত্তেফাক’ এবং ইংরেজি দৈনিকটির নাম ‘বাংলাদেশ অবজারভার’। এখন অবশ্য সেগুলো আর শীর্ষস্থানে নেই।

দ্বিতীয়বার যখন বাংলাদেশে যাই, তখন শাসন ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকারের মাধ্যমে। প্রেসিডেন্সিয়াল শাসনের পরিবর্তে তখন সংসদীয় গণতন্ত্র। আমি দেখেছি, নতুন শাসন পদ্ধতির হাওয়া সংবাদপত্রেও লেগেছে। নতুন নতুন কিছু সংবাদপত্র এসেছে। তারা নতুন ধরনের সাংবাদিকতা চালু করার চেষ্টা করছে। নতুন ধরনের ছাপাখানা আসছে। একটা পরিবর্তনের হাওয়া বোঝা যাচ্ছিল। কিন্তু তখনও কারও পক্ষে বোঝা কঠিন ছিল যে, বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতে কী পরিবর্তন অপেক্ষা করছে!

প্রশ্ন: সেই পরিবর্তন বোধহয় আপনি দেখতে পেলেন এবার সফরে গিয়ে?

উত্তর: ঠিকই বলেছেন। সাংবাদিকতার এক সম্পূর্ণ নতুন মানচিত্র দেখতে পেয়েছি এবার গিয়ে। নতুন কয়েকটি দৈনিক সাংবাদিকতায় নতুন নতুন মুখ নিয়ে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। প্রাণবন্ত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকতায় শিক্ষিত একদল তরুণ সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২৫টিরও বেশি বেসরকারি টেলিভিশন দাপটের সঙ্গে, প্রতিযোগিতার সঙ্গে বাজারে চালু রয়েছে।

একটি ছোট দেশে এত বেশি টেলিভিশন চ্যানেল উন্নত বিশ্বেও ভাবা যায় না। পরিবর্তন এসেছে রেডিওতেও। আগে একটিও বেসরকারি মালিকানাধীন রেডিও ছিল না। এখন বেশ কয়েকটি বেসরকারি এফএম রেডিও স্টেশন বেশ জনপ্রিয়। গাড়িতে গাড়িতে বাজছে সেগুলো। আর এসেছে ইন্টারনেটভিত্তিক নিউজসাইট। আমি বলব, সেগুলোর কোনো কোনোটি বৈশ্বিক মান অর্জন করেছে।

প্রশ্ন: সাংবাদিকতায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে কি কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন? আশির দশকে যেমন শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল। এখন আরও চার-পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা পড়ানো হচ্ছে। সংখ্যাগত এ পরিবর্তন ছাড়াও গুণগত কোনো পরিবর্তন কি আপনি লক্ষ্য করেছেন? যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আশির দশকে যে ধরনের সাংবাদিকতা শিক্ষা দেওয়া হতো, আর এখন যে ধরনের শিক্ষা দেওয়া হয়, তার মধ্যে কি কোনো পরিবর্তন এসেছে?

উত্তর: আমি পূর্ণাঙ্গ চিত্র বলতে পারব না। তবে খণ্ডচিত্র দেখে আমার মনে হয়েছে, আগে তত্ত্বীয় বিষয় বেশি পড়ানো হতো। গত পঁচিশ বছরে ব্যবহারিক বিষয়ের প্রতি ঝোঁক বেড়েছে। এখনকার শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি পরিমাণে ইন্টার্নশিপ করতে যায়, আগের তুলনায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি পেশাদারিত্ব চর্চা করার সুযোগ পায়। আগের চেয়ে ল্যাবরেটরির সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে, সত্যিকার সাংবাদিকতার চর্চা করার সুযোগ বেড়েছে। আগের চেয়ে অভিজ্ঞ, পরিপক্ক ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু এখনও টেলিভিশন সাংবাদিকতায় ব্যবহারিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। কারণ নতুন নতুন প্রযুক্তি, ক্যামেরা ক্রয় কিংবা স্টুডিও স্থাপনে অনেক খরচ। ফলে শুধু তত্ত্বীয় পড়াশোনা দিয়ে টেলিভিশন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী তৈরি করা কঠিন। এটা অবশ্য বলতে হবে যে, সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা এবং সাংবাদিকতা সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে একজন ভালো টেলিভিশন সাংবাদিক তৈরি হওয়ার শর্ত পূরণ করতে পারছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব শিক্ষার্থী উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পেলে সৎ ও দক্ষ সাংবাদিকে পরিণত হবে।

প্রশ্ন: তাহলে সমাধান কী? আমরা দেখছি দেশে এখন ২৭-২৮টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল চালু রয়েছে। সেখানে দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে। অন্যদিকে আমাদের সাংবাদিকতা শিক্ষা বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তিগত দিক থেকে সমৃদ্ধ নয়; তাহলে সমাধান কোন পথে?

উত্তর: আমি মনে করি, সাংবাদিকতা শিক্ষায় নতুন ও বিপুল বিনিয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে। আমি জানি, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এক্ষেত্রে বিনিয়োগের চেষ্টা করছে। টেলিভিশন সাংবাদিকতা শিক্ষার যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তারা চেষ্টা করছে সেটা নিজেদের দিক থেকে পূরণ করার। কিছু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও চেষ্টা করছে প্রযুক্তিগত দিক থেকে সজ্জিত হওয়ার। কিন্তু এটা এখনও বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। এই চ্যালেঞ্জ জয় করতে পারলে সাংবাদিকতা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে অপেক্ষা করছে এক বিপুল সুযোগ।

টেলিভিশন সাংবাদিকতা শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এখনকার পরিস্থিতি আমাকে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। ১৫ বছর আগে যখন ডট কম বিস্ফোরণ হয়েছিল। দুনিয়াব্যাপী দক্ষ ও শিক্ষিত কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের তখন ব্যাপক চাহিদা। কিন্তু সিলিকন ভ্যালিতে এই বিষয়ক পড়াশোনা ও চাকরির ক্ষেত্রে একটি অব্যবস্থাপনা চলছে।

তরুণরা এক কোম্পানি থেকে আরেক কোম্পানিতে ছোটাছুটি করছে। পারিশ্রমিক খুব বেশি আকর্ষণীয় নয়। কিন্তু পরে দেখা গেল, এই তরুণরাই হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে কী সমাধান আপনার এ প্রশ্নের এক কথায় উত্তর সহজ নয়। উত্তর পেতে হলে আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে। আমি শুধু একটি ব্যাপারে নিশ্চিত যে, এ খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ দরকার। দরকার আরও বেশি সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠান। তাতে করে একটা পর্যায়ে সুফল আসা শুরু হবে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের সাংবাদিকতা একটা দারুণ সময় পার করছে। কারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে, বিজ্ঞাপনের বাজার বড় হচ্ছে। বিপুল জনগোষ্ঠী ক্রমে মিডিয়ার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যা বাড়ছে, টেলিভিশনের বিক্রি বাড়ছে। এখন এটাকে কাজে লাগাতে হবে।

প্রশ্ন: তার মানে উন্নত বিশ্বে সংবাদপত্রের আয় ও প্রচারসংখ্যায় যে মন্দাভাব দেখা যাচ্ছে, তা সহসা বাংলাদেশকে সংক্রমিত করতে যাচ্ছে না?

উত্তর: আমি মনে করি না যে, আমার জীবদ্দশায় এমন কিছু ঘটতে যাচ্ছে। উন্নত বিশ্বে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। এর মানে এই নয় যে, সংবাদমাধ্যমের গুরুত্ব কমে আসছে। বরং একটা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা। প্রত্যেক ব্যবসাতেই পরিবর্তন প্রয়োজন হয়। আগে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্রগুলো মূলত বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর করত। এখন দেখা যাচ্ছে বিজ্ঞাপন সব ওয়েবভিত্তিক সংবাদমাধ্যমে যাচ্ছে। ফলে আমাদের এখানকার সংবাদপত্রগুলোকে এখন আধেয় বা কন্টেন্টের প্রতি নজর দিতে হচ্ছে। কীভাবে সেখান থেকে আয় করা যায়, সেটা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ আপনি দেখবেন, এখন সংবাদপত্রে আবহাওয়ার খবরাখবর ও বিশ্লেষণ বেশি থাকছে।আগে প্রচারসংখ্যা থেকে আসা অর্থ ছিল সবচেয়ে কম আয়ের উৎস। এখন সংবাদপত্রগুলোকে গ্রাহকদের দেওয়া অর্থের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এখন সংবাদপত্রকে চাহিদাসম্পন্ন আইটেম সরবরাহ করে গ্রাহক চাহিদা বাড়াতে হচ্ছে এবং গ্রাহকের দেওয়া মূল্যের ওপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে। আমি মনে করি, যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের সংবাদপত্রগুলোর জন্য একটা শিক্ষণীয়। এখন এখানে যে সংকট দেখা দিচ্ছে এবং এখানকার সংবাদপত্রগুলো যেভাবে তা মোকাবেলা করছে, বাংলাদেশের সংবাদপত্রগুলো তা থেকে শিক্ষা নিতে পারে। বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতে এখনও এ যুগ শুরু হয়নি। এখনও বিজ্ঞাপনের বাজার প্রসারিত হচ্ছে। এখনও বিজ্ঞাপনের বড় অংশ সংবাদপত্রনির্ভর। ফলে আপনাদের দেশের সংবাদপত্র-নেতৃত্ব আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে পারে।

প্রশ্ন:এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য উন্নত বিশ্বের সংবাদপত্র কী করতে পারে?

উত্তর: দেখুন, আমি উন্নত বিশ্বের সংবাদপত্রের বর্তমান অবস্থানকে ঠিক সংকট বলার ক্ষেত্রে কিছুটা রক্ষণশীল।

প্রশ্ন: হ্যাঁ, আমরা কিছুদিন আগে হাফিংটন পোস্টে নিবন্ধ পড়েছি, সেখানে বলা হয়েছে এ সংকটের সময়েও আপনি কীভাবে এখনও সংবাদপত্রের পক্ষে আশাবাদ ব্যক্ত করে যাচ্ছেন।

উত্তর:আমি মনে করি, সংবাদপত্রের জগতে নাটকীয় কোনো পরিবর্তন আসা কঠিন। কারণ এখনও বিজ্ঞাপনের বাইরে সংবাদপত্রের একটি শক্তিশালী আয়ের উৎস রয়েছে। তা হচ্ছে গ্রাহকের দেওয়া অর্থ। আগে যেমনটি বলেছি, একটি পণ্য বছরের পর বছর একইভাবে চলবে, এটা আশা করা ঠিক নয়। এখনও সংবাদপত্রের আয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী অনেক ধারণা বাস্তবায়ন করার সুযোগ রয়েছে। সেটা হচ্ছেও। তিন বছর আগে সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি যতটা আশাবাদী ছিলাম, এখন তার চেয়ে অনেক বেশি আশাবাদী। কারণ আমি দেখছি প্রকাশকরা নতুন নতুন ধারণা নিয়ে, নতুন বিনিয়োগ নিয়ে এগিয়ে আসছেন। তারা কনটেন্টের ধরন নিয়ে নতুন চিন্তা-ভাবনাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তাতে করে সংবাদপত্রের চাহিদা ও আয় বাড়ছে। নিউইয়র্ক টাইমসসহ যুক্তরাষ্ট্রের অনেক স্থানীয় সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে এটা সত্য।

তবে সমস্যা হচ্ছে, যারা ইতিমধ্যে ভয় পেয়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করে ফেলছেন, তাদের ক্ষেত্রে। কারণ ভালো ও চাহিদাসম্পন্ন আধেয় সরবরাহ করতে হলে আপনার দক্ষ ও যোগ্য জনবলের বিকল্প নেই। এখন এটা প্রমাণিত যে, ভালো কনটেন্ট থাকলে গ্রাহকরা আপনার সংবাদপত্রের জন্য খরচ করতে রাজি। আর ভালো কনটেন্ট চাইলে আপনাকে সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতেই হবে।

প্রশ্ন:এ নিয়ে আরও কথা বলতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু আমরা জানি, আপনি শৈল্য চিকিৎসকের অধীনে রয়েছেন। বেশি কথা বলা আপনার জন্য ক্ষতিকর। আপনার জন্য শুভ কামনা থাকল।

উত্তর: বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ব্যাপারে আমি আরও বেশি আশাবাদী। সবাইকে শুভেচ্ছা জানাবেন।

সূত্র: সমকাল