১৭ বছরে এটিএন বাংলা

সোমবার, ১৫/০৭/২০১৩ @ ৯:৫২ অপরাহ্ণ

প্রেসবার্তাডটকম ডেস্ক ::

atn bangla logo(১৫ জুলাই ২০১৩)- আজ পথচলার ১৬ বছর পূর্ণ করে ১৭ বছরে পা রাখছে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলা। ‘অবিরাম বাংলার মুখ’ স্লোগানকে বুকে ধারণ করে ১৫ জুলাই ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করে চ্যানেলটি। ওই দিন বিশ্বব্যাপী প্রথম বাংলা ভাষার সম্প্রচার ঘটে চ্যানেলটির মাধ্যমে।

প্রতিষ্ঠানের স্বপ্নদ্রষ্টা ড. মাহফুজুর রহমান বাংলাদেশের সংস্কৃতি সারা বিশ্বের বাংলা ভাষা-ভাষী মানুষের কাছে পেঁৗছে দেন স্যাটেলাইটের মাধ্যমে। ১৯৯৯ সালের মে মাসে এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয় এটিএন বাংলা। এরপর শুধুই এগিয়ে যাওয়ার গল্প। ১৬ আগস্ট ২০০১ সংবাদ, আর ২০০২ সালের ১ অক্টোবর শুরু হয় ইংরেজি সংবাদ প্রচার। ২০০৩ সালে শুরু হয় প্রতি ঘণ্টার সংবাদ। শুধু সংবাদ নয়, অনুষ্ঠান প্রচারেও এটিএন বাংলা নিজেকে এগিয়ে রেখেছে। বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষা, খেলাধুলা, সমাজ, সংস্কৃতি নিয়ে অনুষ্ঠার প্রচারের বিষয়ে বরাবরই প্রাধান্য দিয়েছে। দেশ এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই অনুষ্ঠান প্রচার করে আসছে চ্যানেলটি। সব ধরনের অনুষ্ঠান প্রচারের ক্ষেত্রেই এটিএন বাংলা তার নিজস্বতা বজায় রেখেছে। সেই সঙ্গে গতানুগতিক ধারার অনুষ্ঠান প্রচারের ক্ষেত্রে গা ভাসানো থেকেও বিরত থেকেছে।

দীর্ঘ দেড় দশকের পথপরিক্রমায় এটিএন বাংলার অর্জন অনেক। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০০৪ সালের ২২ নভেম্বর ‘আমরাও পারি’ অনুষ্ঠানের জন্য ছোট পর্দার অস্কার খ্যাত এমি অ্যাওয়ার্ড অর্জন। এশিয়া অঞ্চল থেকে আঞ্চলিক অ্যাওয়ার্ড, মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড, বজলুর রহমান স্মৃতিপদক, এশিয়ান ব্রডকাস্টার অব দ্য ইয়ার-২০১২, ইউনাইটেড নেশনস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন [ইউএনসিএ] অ্যাওয়ার্ড ২০১২ অর্জন করে এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান।

এটিএন বাংলা সুস্থ সংস্কৃতি বিকশিত করার জন্য ভবিষ্যতেও নিজেদের যাত্রা অক্ষুণ্ন রাখতে বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে এটিএন বাংলার ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই দেশের সংস্কৃতি এবং উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করে আসছি। আমরা প্রচার করছি সুস্থ সংস্কৃতি। পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন, সমস্যা এবং সমাধানের সংবাদ প্রচার করে আসছি। আমরা ভবিষ্যতেও আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাব। আরও উন্নত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাব।’

এটিএন বাংলা তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। এতে নাটক, সংগীতানুষ্ঠানসহ বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে। পাশাপাশি কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হবে।