চতুর্থ বছরে বাংলানিউজ

সোমবার, জুলাই ১, ২০১৩

প্রেসবার্তাডটকম প্রতিবেদন ::

banglanews2(০১ জুলাই ২০১৩)- ‘সংবাদ বিনোদন সারাক্ষণ’ শ্লোগান নিয়ে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরডটকম আজ চতুর্থ বছরে পা রাখল।

বাংলাদেশে অনলাইন পত্রিকার পথিকৃত আলমগীর হোসেন এর নেতৃত্বে একঝাঁক তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে ২০১০ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করেছিল বাংলানিউজ।

ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া লিমিটেডের এ সংবাদমাধ্যমটি গত তিনবছরে ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে।

দ্রুত সংবাদের পাশাপাশি বৈচিত্রময় ফিচার, সাহিত্য, খেলাধুলা, লাইফ স্টাইলসহ পাঠকের খোরাক জোগানোর সবকিছু থাকায় বাংলানিউজ হয়ে উঠছে পাঠকের প্রিয় সংবাদ মাধ্যম। সম্প্রতি রেডিও২৪ নামে ওয়েব রেডিও চালু করেছে বাংলানিউজ।

সাভারের রানা প্লাজা ধসের খবর, আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশনের সেই অগ্নিকাণ্ডের খবরসহ বিভিন্ন ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে পাঠককে পৌঁছে দিয়ে বাংলানিউজ প্রশংশিত হয়েছে।

অপরাধ, দুর্নীতি আর অনিয়মের খবর তুলে ধরতে বিগত দিনগুলোতে বাংলানিউজ টিম ছিল সক্রিয়। হাতিয়ার ভয়ঙ্কর নিজাম ডাকাত, মহেশখালীর অস্ত্র কারখানা, টেকনাফের মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) শ্রেষ্ট পুরষ্কার পান বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট রহমান মাসুদ।

‘সব অর্জন পদ্মায় বিসর্জন’ শিরোনামে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের জন্য ‘দুদক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০১৩’ অর্জন করেন বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট আদিত্য আরাফাত।

যক্ষ্মা বিষয়ক জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখার জন্য চলতি বছরের ২৪মার্চ বাংলানিউজকে ‘যক্ষ্মাবিষয়ক গণমাধ্যম সম্মাননা’ তুলে দেয় বেসরকারি সংস্থ্যা ব্র্যাক।

‘স্পিকারের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: হাইকোর্ট’ শিরোনামে সুপ্রিম কোর্টের একটি বক্তব্যের ওপর বাংলানিউজের প্রতিবেদন ২০১২ সালের ৫ জুন সন্ধ্যায় আলোচনা হয় জাতীয় সংসদে।

আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ‘গুমোট বাতাসে পোড়া লাশের গন্ধ, অক্ষত সব অগ্নি নির্বাপক’ শিরোনামে বাংলানিউজের তখনকার একটি প্রতিবেদন বেশ আলোচিত হয়।

বাংলানিউজের পথচলা প্রসঙ্গে এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন বলেন, ‘‘এখন জমানা তো অনলাইনেরই। প্রতিদিনই পাঠক বাড়ছে। নতুন নতুন প্রযুক্তির সেবায় অনলাইন নিত্যদিনই হয়ে উঠেছে আরো বেশি পাঠকবান্ধব।”

তিনি বলেন, “আমরাও চেষ্টা করছি পাঠকের মর্জি বুঝে চলতে। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে পাঠককে রাখতে আমাদের চেষ্টারও অন্ত নেই। আবার অনেক ক্ষেত্রে পাঠকই হয়ে উঠছেন খবরের উৎস। সংবাদমাধ্যমের আর কোন শাখাতেও তো এখন আর অনলাইনের মতো এতো সরাসরি পাঠকের মিথস্ক্রিয়া হয় না। যখন কোন ঘটনা ঘটে তখনই তা জানতে পারে পাঠক।।”

অল্প সময়েই বাংলানিউজের পাঠক নন্দিত হওয়া প্রসঙ্গে আলমগীর হোসেন বলেন, “বাংলানিউজ একটি টিম হিসেবে কাজ করে। এখানে আমরা সবাই খবর নিয়ে মত্ত হয়ে উঠি। বাংলানিউজ কখনো বন্ধ থাকে না। আর এখানে সব খবরকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। চেষ্টা করা হয় পাঠকের প্রত্যাশা পূরণ করে এগিয়ে চলার। এতে বাংলানিউজ কতোটা সফল সে বিচার তো পাঠকরাই করবে।”

বাংলানিউজের জন্য শুভকামনা রইল।