সাংবাদিকতায় নৈতিকতার প্রশ্ন ও নতুন ধারা…

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৮, ২০১৩

আশিক শাওন::
এক.

বিখ্যাত ব্রিটিশ-আইরিশ পার্লামেন্টেরিয়ান এডমন্ড বার্ক (১৭২৯-১৭৯৭)-এর মতে, “সাংবাদিকরা হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ ইন্দ্রিয়”।[১] আর সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একবার বলেছিলেন, “আমি ৪টি সংবাদপত্রকে ১ লক্ষ বেয়োনেটের চেয়েও বেশি ভয় করি!”[২]

অর্থাৎ যে-কোন দেশ-জাতি-সমাজের জন্য সংবাদপত্র একটি দর্পন-স্বরূপ; যাতে আমরা মানব-জাতির কল্যানের একটি দিক-নির্দেশনা লাভ করতে পারি এবং সেই সঙ্গে পেতে পারি সম্ভাব্য সতর্কতাও। এখন আর আধুনিক জীবনকে ইলেকট্রনিক কিংবা প্রিন্ট মিডিয়ার নিত্যদিনের অনুপস্থিতিতে উপলব্ধি করা যায় না; শিক্ষিত উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত অথবা নিম্নবিত্ত যে-কারোরই জীবনেই মিডিয়ার অনুপস্থিতি কল্পনাতীত। ছুটিছাটার কারণে সংবাদপত্রের প্রকাশনা বন্ধ থাকলেও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে আমরা চব্বিশ ঘণ্টাই পাশে পাচ্ছি।

কিন্তু এর সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গের মন-মানসিকতার ত্রুটি-বিচ্যুতিও খুব একটা ফেলনা নয়। কারণ প্রবাদে আছেঃ “ডাক্তারগণ তাদের ভুলকে সমাধিস্থ করেন, উকিলরা তাদের ভুলকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলান; আর সাংবাদিকরা তাদের ভুলকে পত্রিকার প্রথম পাতায় ছাঁপিয়ে দেন!” এবং এর ফলাফল কি হতে পারে তা আমরা দেখতে পাই প্রখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মার্ক টোয়েনের লেখাতে, “একটি সংবাদপত্র কেবল সংবাদ প্রকাশেরই নয়, বরং পাঠককে সেই বিষয়ে কিছু করার জন্য উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমও বটে।”[৩]

দুই.

সাংবাদিকতার সংজ্ঞা হিসেবে উইকী-তে বলা আছে,
“Journalism is the practice of investigation and reporting of events, issues and trends to a broad audience. Though there are many variations of journalism, the ideal is to inform the intended audience. Along with covering organizations and institutions such as government and business, journalism also covers cultural aspects of society such as arts and entertainment. The field includes editing, photo journalism and documentary.”[৪]

আর বাংলাপিডিয়া-তে বলা হয়েছে,
“সাধারণত: সাংবাদিক বা নিউজম্যান শব্দটি দ্বারা যে ব্যক্তিকে বোঝানো হয় তার পেশা হলো সাম্প্রতিক ঘটনার উপর তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, পত্রিকায় ও ম্যাগাজিনে লেখা অথবা রেডিও, টেলিভিশনে সংবাদ সম্পাদনা করা ও প্রকাশ করা। ব্যাপক অর্থে, সাংবাদিকতা শব্দটিতে সংজ্ঞাভূক্ত করা যায় বিজ্ঞাপন এবং জনসংযোগ কর্মী ও গণযোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত পেশাজীবী ব্যক্তিদের।”[৫]

তিন.

রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তিতে ত্রিশের দশক থেকে এদেশে সংবাদপত্রের বিকাশ শুরু হয় এবং পরবর্তী দু’দশকে এর বিকাশ ঘটে; অথচ পঞ্চাশ বা ষাটের দশকের সাথে আজকের সাংবাদিকতার বিরাট পার্থক্য লক্ষণীয়। সে সময় সাংবাদিকতায় আজকের মতো পেশাদারিত্ব না থাকলেও ছিলো নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতা; শিক্ষিত তরুণরা সাংবাদিকতায় আসতেন যাদের মধ্যে ছিল শক্তিশালী রাজনৈতিক দর্শন কিন্তু তার সাথে নৈতিকতার মানদন্ডকেও তারা এড়িয়ে যেতেন ন। অতীতে দেশে রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিভেদ থেকে নতুন সংবাদপত্রের জন্ম হলেও বর্তমানে কেবলমাত্র ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণেই সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। এদেশে সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেনা শাসকদের হাত ধরেই আর তার মূলে ছিলো আসলে সংবাদিকদের প্রতি তাঁদের ভালবাসার নয়, বরং তাদের কিনে নিয়ে মুখ বন্ধ করার প্রবণতা। ১৯৬৪ সালে “প্রেস ট্রাস্ট” গঠনের মধ্য দিয়ে এদেশে সাংবাদিক কেনার যে প্রবণতা শুরু হয়েছিলো বর্তমানে কর্পোরেট বেনিয়াদের আগ্রাসন দ্বারা তার অন্তিম যাত্রাই যেন রচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় কখনওই খুব একটা ভাল সময় যায়নি, স্বাধীন সাংবাদিকতার যে পরিবেশ প্রয়োজন, এই ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি তা কখনও নিশ্চিত করতে পারেনি; আর তাই ভূমিদস্যু, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটকারী, শ্রমিক নির্যাতনকারী শিল্পপতি সম্প্রদায় হয়েছে সংবাদপত্রের মালিক। আবার রাজনৈতিক সংযোগের ফলে সংবাদ মাধ্যমের বিকাশ ও প্রচারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু সত্যিকারের সৎ ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এগুলোকে প্রতিবন্ধকতা হিসেবেই দেখা হয়। বিরাট পুঁজির মালিক যারা সংবাদপত্রে বিনিয়োগ করছেন তাদের মধ্যে সৎ মানুষ, ভাল মানুষও আছেন, তারা দেশ এবং সমাজকে নিয়ে চিন্তা করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, গণমাধ্যমে বিভক্তি আর রাজনৈতিক বিভক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে স্বাধীন সাংবাদিকতা হবে না।

স্বাধীনতার পর চার দশক পেরিয়ে আজ তাই দেখতে পাই সাংবাদিকতা জগতে সৃষ্টি হয়েছে এক বিরাট নৈরাজ্যের, শূণ্যতার; দেশের সংবাদমাধ্যমগুলো কর্পোরেট আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে, কৃষ্ণপক্ষে ঘুরপাক খাচ্ছে। পুঁজিই এখন সাংবাদিকতার বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর সেই সাথে আছে সাংবাদিকদের মধ্যে রাজরৈতিক বিভাজন। রাজনৈতিক বিভাজন ও বৃহৎ পুঁজি ব্যবহারের ফলে সাংবাদিকতায় নীতি-নৈতিকতা মানা হচ্ছে না – এ পেশাটি এখন সর্ব-সাধারণের নিকট প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে। এখন অনেক মিথ্যা খবরই সত্য বলে প্রকাশ হয়, প্রকাশণার সাথে যুক্ত মালিকপক্ষ বা সংবাদপত্রের মূল পরিচালকরা কিংবা তাদের দোসরাই এই কাজটি করছেন। সংবাদপত্রে অর্থ যেমন আসছে তেমনি বাড়ছে প্রতিযোগিতাও; কিন্তু একথাও মনে স্মরণ রাখতে হবে, অর্থ-বিত্তের জোরে নিয়ম-নীতি না মেনে এগিয়ে যাওয়া হয়তো যায় কিন্তু টিকে থাকা যায়না। পাঠকদের বিভ্রান্ত করে কোন সংবাদ মাধ্যম যে টিকতে পারেনা তার বড় প্রমাণ “নিউজ অব দি ওয়ার্ল্ড”-এর বন্ধ হয়ে যাওয়া।

চার.

দেশের গণমাধ্যমের অবস্থা আজ হতাশাজনক অবস্থায় পৌঁছেছে, সাংবাদিকরা নৈতিকতা থেকে অনেক দূরে, অনেক ক্ষেত্রেই সত্যবাদীতা আর সততার অনুপস্থিতি, হারিয়ে যাচ্ছে সাংবাদিকতায় দেশপ্রেম ও জাতি প্রেম নামক শব্দ দুটিও। এই বিষয়টির প্রকাশ আমরা অসংখ্য প্রখ্যাত সাংবাদিকের লেখনীতেও দেখতে পাই; উদাহরণস্বরূপ সাংবাদিক আহমদ রফিক-এর বর্ণনায় দেখি, “সাংবাদিকতার নীতি-আদর্শ, সততা-নৈতিকতা ইত্যাদি মাথায় রেখে স্বাধীনতা-পূর্ব ও স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে সাংবাদিকদের উচ্চ মহলে অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনামূলক বিচার করতে গেলে পাহাড়প্রমাণ প্রভেদ সামনে এসে দাঁড়ায়। এর কারণ কি শুধুই সামাজিক ধরনের শ্রেণীবদ্ধ হওয়া, নাকি এর পেছনে অন্য কারণ কাজ করে থাকে? সাংবাদিক মহলের একাংশে অতি সম্পন্ন অবস্থা নিয়ে কিন্তু যথেষ্ট সরস আলোচনা চলে তাঁদের অগোচরে, তবু তা কানে না আসার মতো নয়।”[৬]

কিংবা আবেদ খান-এর ভাষায়, “দেখা যাচ্ছে যে, এ-দেশে পেশাগত সাংবাদিকতায় ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে, সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত প্রতিশ্রুতির স্থান থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন; তাদের কাছে এখন আদর্শের চেয়ে ভোগবাদিতাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। ফলে, ক্রমান্বয়ে, সাংবাদিকরা পণ্যে পরিণত হচ্ছেন, তাঁদের বাজার মূল্য বাড়ছে বলে তারা আজ সেবাদাসে রূপান্তরিত হয়েছেন।”[৭]

আর মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর-এর মতে, “ধনী লোক বা বড় শিল্পপতি, বিখ্যাত ব্যক্তি, বড় তারকা কোনো বিপদে পড়লে অনেক সাংবাদিক উল্লসিত হন। তাঁদের সেই উল্লাস প্রতিফলিত হয় তাঁদের লেখায়। এটা সাংবাদিকের বিকৃত মানসিকতা। অসুস্থ মানসিকতা। এ ধরনের মানসিকতা সাংবাদিকতা পেশার জন্য উপযুক্ত নয়। সাংবাদিকের দৃষ্টি হবে বস্তুনিষ্ঠ। তথ্য, প্রমাণ দিয়ে তিনি লিখবেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য প্রকাশ করা তাঁর প্রধান শর্ত। … … … আমাদের দেশে এখনো অনেক সংবাদপত্র ও টিভি সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করে না। সাংবাদিকতা পেশায় তারা হয় মতলববাজ, নয় অদক্ষ। এদের হাত থেকে সাংবাদিকতা পেশাকে রক্ষা করতে হবে।”[৮]

পাঁচ.

আধুনিক সাংবাদিকতা বলতে এখন আর শুধু সংবাদ প্রচার বা পরিবেশনকে বোঝায় না, বরং সংবাদের সাথে যুক্ত হয়েছে অভিমত, আবার অভিমতযুক্ত সংবাদের সঙ্গে মিশ্রিত হয়েছে সাহিত্যরসও। সাংবাদিকতা ও সাহিত্য তাই এখন যমজ সন্তানের মতো হয়ে উঠেছে। এ-ধরণের সাহিত্যমিশ্রিত সাংবাদিকতা এখন অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং এর সাথে মতামত যুক্ত হওয়ায় তার গ্রহণযোগ্যতাও বড়েছে সহস্রগুণে। এখনকার এই সাংবাদিকরা শুধু জনগণের কাছে সংবাদই পৌছান না; বরং তাদের মতামতকেও প্রভাবিত করেতে পারেন বহুলাংশে। কাজেই সাংবাদিকতা বা সংবাদপত্র যদি সৎ ও নীতিনিষ্ঠ না হয়ে কোনো অসৎ ও অশুভ উদ্দেশ্যে অসত্য বা বিভ্রান্তিরকর খবর ও মতামত ছড়ায় তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য তা হয় উঠে মহা-অকল্যাণকর। এজন্যই বলা হয়, মাস মিডিয়া আণবিক বোমার চেয়েও ধ্বংস শক্তির অধিকারী।

একুশ শতকের সাংবাদিকতার সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত হয়ে পড়েছে। এখন তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই মানুষের দোরগোড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করা বা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সংবাদ শুধু একটি জায়গাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ছড়িয়ে পড়েছে নানাপ্রান্তে নানাভাবে। ধীরে ধীরে সবাই ওয়েবসাইট ও ই-পেপারের দিকে যাচ্ছে, সংযোগ নিচ্ছে ইন্টারনেটের; ফলে সাংবাদিকতার প্রেক্ষাপট বদলে গেছে এবং বর্তমানে তাই তথ্যপ্রযুক্তি ও সাংবাদিকতা একে অপরের সাথে আঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়েছে।

বর্তমানে দেশে-বিদেশে মূলধারার মিডিয়ার ব্যর্থতার বিপরীতে বিকল্প মিডিয়ার প্রতি মানুষ ধীরে ধীরে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। আজ তাই দেখা যায়, ই-পেপার বা ব্লগিংকে মানুষ যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে চর্চা করছে। এখানে মানুষ কেবল তার নিজের মতামতকেই প্রকাশ করছে না বরং সাথে সাথে প্রচলিত মিডিয়াগুলোর ভুল-ভান্তিকে খুব সহজেই চিহ্নিত করার মাধ্যমে মানুষের দোড়গোড়ায় পৌছে দিচ্ছে চূড়ান্ত সত্যকেও। ব্লগকে বলা যায় আজকের যুগের বিকল্প মিডিয়া; ব্লগিং ও সমাজ সচেতনার কারনে আজ আমরা দেখতে পাই সীমান্তের নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড সম্পর্কে যখন সরকার বা তার নিয়ন্ত্রনাধীন সংবাদপত্রসমূহ সম্পূর্ণ নিশ্চুপ থাকছে বিপরীতে ফুসে উঠছে নেট কম্যুনিটি। ব্লগ তাই আজ তরুণ-প্রজন্মকে যোগাচ্ছে ভাবনার খোরাক, তাদের দেশপ্রেম আর নতুন তথ্যের দ্বারা রহস্য উদ্ঘাটনের আন্তরিক ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে গঠিত হচ্ছে ঐক্যমত, সংগঠিত হচ্ছে নবতর বিপ্লব আর উম্মোচিত হচ্ছে নতুন সত্যের। তাই আগামী দশকের সংবাদিকতা হবে নির্মোহ একদল তরুণের তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক রহস্য উদ্ঘাটনের প্রবল লড়াইয়ের বিজয়ের মুকুট ছিনিয়ে আনার অভিযাত্রা – একথা নিঃসন্দেহে বলা চলে।

পুনশ্চঃ

১. কুকুর মানুষকে কামড়ালে সেটা কোনো সংবাদ হয়না, কিন্তু মানুষ কুকুরকে কামড়ালে সেটা একটি সংবাদ হিসেবে পরিবেশন করা যায়!
২. সংবাদপত্রে নাম উঠানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে সংবাদপত্র পড়তে পড়তে শহরের সবচেয়ে ব্যস্ততম রাস্তা হেঁটে পার হওয়া!

______________________________________________________
সূত্রঃ

[১] http://en.wikipedia.org/wiki/Fourth_Estate
[২] http://www.famous-quotes.com/author.php?aid=832
[৩] http://www.goodreads.com/author/show/4489071.Mark_Twain
[৪] http://en.wikipedia.org/wiki/Journalism
[৫] http://www.banglapedia.org/httpdocs/HTB/105247.htm
[৬] রফিক, আহমদ (২০১১)। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের বিকাশ। উপ-সম্পাদিকীয়। ঢাকা: দৈনিক কালের কন্ঠ। প্রকাশকাল: ১২ জানুয়ারী ২০১১।
[৭] খান, আবেদ (২০১১)। সাংবাদিকরা এখন পেশাগত প্রতিশ্রুতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। উপ-সম্পাদিকীয়। ঢাকা: দৈনিক জনকন্ঠ। প্রকাশকাল: ২৮ জানুয়ারী ২০১১।
[৮] জাহাঙ্গীর, মুহাম্মদ (২০১১)। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সাংবাদিকের নৈতিকতা। উপ-সম্পাদিকীয়। ঢাকা: দৈনিক প্রথমআলো। প্রকাশকাল: ১৬ জানুয়ারী ২০১১।

লেখকঃ আশম আশিকুর রহমান (আশিক শাওন)
Ashiq.Shawon@gmail.com